কতিপয় সুরার বিশেষ ফজিলত









۞ সূরা ফাতিহা ৩ বার পড়লে ২ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (মাযহারী)।

۞ সূরা কদর ৪ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (মুনসাদে আহমাদ)।

۞ সূরা যিলযাল ২ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয়।

۞ সূরা আদিয়াত ২ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (মাওয়াহীবুর রহমান)।

۞ সূরা কাফিরুন ৪ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (তিরমিযি)।

۞ সূরা ইখলাস ৩ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (তিরমিযি)।

۞ সূরা নাসর ৪ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (তিরমিযি)।

۞ সুরা ইয়াসীন ১ বার পাঠ করলে ১০ বার কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় (বায়হাকি, শোআবুল ইমান)।

۞ আয়তাল কুরছী ৪ বার পড়লে ১ বার কুরআন শরীফ পড়ার ছওয়াব হয় (মাওয়াহীবুর রহমান)।

۞ প্রত্যেকদিন সূরা ইখলাস ২০০ বার পাঠ করলে ৫০ বছরের গোনাহ মাফ হয় (তিরমিযি ও দারেমী)।

۞ সুরা তাকাছুর পাঠ করলে ১০০০ আয়াত পড়ার সওয়াব পাওয়া যায় (বায়হাকি, শোআবুল ইমান)।


কতিপয় দোয়ার বিশেষ ফজিলত:

۞ সোবহানাল্লাহ ১০০ বার পাঠ করলে হযরত ইসমাইল (আঃ) এর আওলাদ হইতে ১০০ (একশত) গোলাম আজাদ করার সওয়াব‌ পাওয়া যায়।

۞ আলহামদুলিল্লাহ ১০০ বার পাঠকরলে আল্লাহর রাস্তায় জেহাদের জন্য লাগামসহ সজ্জিত করে ১০০ ঘোড়া দান করার সওয়াব পাওয়া যায়।

۞ আল্লাহু আকবার ১০০ বার পাঠ করলে ১০০ উট কোরবানী করার সওয়াব পাওয়া যায়।

۞ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ ১০০ বার পাঠ করলে আসমান ও জমিনের মধ্যবর্তি স্থান সওয়াব দ্বারা পূর্ণ করে দেওয়া হয়।

۞ সোবহানাল্লাহে ওয়া বেহামদিহি ১০০ বার পাঠ করলে ১,২৪,০০০ (এক লক্ষ চব্বিশ হাজার) নেকী পাওয়া যায়।

۞ সোবহানাল্লাহে ওয়া বেহামদিহ সোবহানাল্লাহেল আজিম – জবানে হালকা, ওজনে ভারি, আল্লাহর নিকট প্রিয়।


ঘুমানোর পূর্বের আমল:
۞ ৪ বার
সূরা ফাতিহা পড়িয়া ঘুমাইলে ৪, ০০০
(চার হাজার) দীনার সদকা করার
দওয়াব আমলনামায় লেখা হয়।

۞ ৩ বার সূরা এখলাছ পড়িয়া ঘুমাইলে ১ খতম কোরআন পড়ার সওয়াব আমলনামায় লেখা হয়।

۞ ১০ বার ইসতেগফার পড়িয়া ঘুমাইলে উভয়ের বিবাদ মিটানোর সওয়াব আমলনামায় লেখা হয়।

۞ ৪ বার কালেমা তামজিদ পড়িয়া ঘুমাইলে এক হজ্বের সওয়াব আমলনামায় লেখা হয়।

۞ ৩ বার দরুদ শরিফ পড়িয়া ঘুমাইলে জান্নাতের মূল্য আদায় হয়।

۞ রাতে শোয়ার সময় আয়তাল কুরসি পড়লে সকাল পর্যন্ত শয়তান তার নিকটবর্তী হবে না (বোখারী শরীফ)

۞ রাতের বেলায় সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়লে সেই রাতের যাবতীয় বিপদ থেকে বাঁচা যাবে আর এটা সারা রাত জেগে ইবাদত করার জন্য যথেষ্ট হবে। (বোখারী শরীফ)।

۞ আবু উমামা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে বলতে শুনেছিঃ “তোমরা আল কুরআন পড়। কারণ কিয়ামাতের দিন আল কুরআন তার পাঠকারীর জন্য শাফা’আতকারী হিসেবে আবির্ভূত হবে।” [মুসলিম]

۞ আবু হুরাইরা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ “পাঁচ ওয়াক্ত নামায ও এক জুমু’আ থেকে আর এক জুমু’আ পর্যন্ত আদায়কৃত নামায এর মধ্যকার (সব গুনাহের) জন্য কাফফারা, যদি কবিরা গুনাহ না করা হয়।” [মুসলিম]
Previous Post Next Post